বলিউডের অন্তরীক্ষ মিশনপীযূষ আশ রাকেশ (অক্ষয় কুমার) প্রতিভাবান মহাকাশবিজ্ঞানী। এক ‘জিএসএলভি’ উৎক্ষেপণের ব্যর্থতার জন্য তাঁকে সরে যেতে হয় মঙ্গল-অভিযান বিভাগে। কেননা, ইসরোর কেউই মনে করতেন না ভারতের পক্ষে মঙ্গলগ্রহে অভিযান সম্ভব। রাকেশের সঙ্গে যোগ দেন মিশন ডিরেক্টর তারা (বিদ্যা বালন)। ঘটনাচক্রে তারার জন্যই ব্যর্থ হয় আগের উৎক্ষেপণ। ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে নেন রাকেশ। একটা অপরাধবোধ থেকেই তারার জেদ চেপে যায় রাকেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই ‘মিশন মঙ্গল’ সফল করার। কম বাজেট, তার থেকেও কম সময়ে এই প্রকল্প সফল করার জন্য যখন শীর্ষ বিজ্ঞানীরা বিদেশি সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছেন, তখন তারা আর রাকেশ রকেট সায়েন্স-এ যোগ করেন হোম সায়েন্স-এর নানা টোটকা। তাতেই অসম্ভব হয় সম্ভব, এবং সাফল্য। পরিচালক সাধারণ দর্শকদের জন্য মহাকাশ বিজ্ঞানের জটিল বিষয় সহজভাবে ছুঁয়ে গিয়েছেন। দুরূহ বিজ্ঞানের কর্মকাণ্ড মানবিক সম্পর্কে, আবেগের মোড়কে পর্দায় এসেছে। তাতে ‘মিশন মঙ্গল’ কখনও-সখনও সরে গিয়েছে অতিনাটকীয়তায় কিংবা চড়া সংলাপে, তা সত্ত্বেও অভিযান কক্ষচ্যুত হয়নি। সোনাক্ষি, শরমন, তাপসীরা নিজেদের পরিসরে সপ্রতিভ। অক্ষয় ফের অভিনয় থেকে খিলাড়ি কুমারের রেশ মুছে দিয়েছেন। আর অবশ্যই নজর কেড়েছেন বিদ্যা বালন। ছবি সত্য ঘটনা আশ্রিত। ২০১৪ সালের ‘মার্স অরবিটার মিশন’ বা ‘মম’। ‘ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন’ প্রথম প্রচেষ্টায় কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপন করে মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে। মঙ্গল অভিযানের এই ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের মধ্যে ভারত প্রথম দেশ। কী ভাবে এই ‘অসাধ্য সাধন’ হল, ইসরো যে শুধু ‘ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন’ নয়, ‘ইম্পসিবল স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন’ও সেটাই দেখালেন পরিচালক জগন শক্তি। ২ ঘণ্টা ১৩ মিনিটের মিশন, টেক অফ থেকেই জমজমাট। শেষ পর্যন্ত উপভোগ্য।
from Movie Review in Bengali, চলচ্চিত্র পরিদর্শন, Bangla Movie Review, Bollywood Film Rating https://ift.tt/33BnqBL
মিশন মঙ্গল
Reviewed by SGMoviesHD
on
August 17, 2019
Rating:

No comments: